গুড প্যারেন্টিং কিভাবে হওয়া যায়?
02 Aug 2025 By -ফটো কার্ড ডাউনলোড করুন
প্যারেন্টিং গুড প্যারেন্টিং এবং ব্যাড প্যারেন্টিং আজকাল এই সকল শব্দ খুবই শোনা যাচ্ছে । আসলে এগুলো নতুন শব্দ মনে হলেও এগুলোর চর্চা হয়ে আসছে অনেকদিন ধরে।
বাবা মা সন্তানকে একবারই জন্ম দেয় কিন্তু সেই সন্তানকে সঠিকভাবে লালন পালন করে বড় করে করে তুলতে পারে যে নিয়ম নীতির মাধ্যমে সেটি মূলত প্যারেন্টিং। আমাদের দেশের মূলত বাবা-মা সন্তানের খাওয়া দাওয়া স্বাস্থ্য এগুলো খেয়াল করেন। আবার অনেকে আছে সন্তানের লেখাপড়া নিয়ে অতি ব্যস্ত, সকালে কোচিং বিকালে টিচার সারাদিন স্কুল রাতে প্রাইভেট টিচার এইভাবে চলছে। আবার অনেকে আছে সারা বছর সন্তানের লেখাপড়ার দিকে কোন খেয়াল রাখে না। কিন্তু রেজাল্টের দিন তারা ছেলেমেয়ের রেজাল্ট এর ব্যাপারে খুবই উদ্বিগ্ন থাকে। এত কিছু সত্বেও সকল বাবা-মা মনে করে তারা তাদের সন্তানকে ভালোবাসেন ভালোর জন্যই এ সকল কিছু করেন অথচ একজন আদর্শ বাবা মায়ের বৈশিষ্ট্য কি আসলেই তাই!!
সুস্থ সুন্দর সো জীবন বিকাশের জন্য গুড প্যারেন্টিগের ভূমিকা নিয়ে কথা বলা যাক
শিশুরা শিশুদের মতই আচরণ করবে কারণ তারা শিশু। এটা সকল বাবা মাকে বুঝতে হবে একটি শিশু তার মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকাশিত হতে প্রায় ২০ বছর সময় লাগে। কারো কারো ক্ষেত্রে কম বেশি হয় তবে ২০ বছর পর্যন্ত শিশু নানান ধরনের ভুলভাল অপ্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। রেগে গিয়ে বা ধৈর্য হারিয়ে নয় বরং তাদেরকে খুব ধীরে খুঁজতে আসতে তাদের মত করে বোঝাতে হবে । তুমি আসলে ভুল করছ তোমার এইভাবে না করে আরেকটু ভালোভাবে করতে পারতে এরকম কিছু বলতে হবে ।
দোষারোপ করো না সন্তানদের উপরে কখনো একদম সম্পূর্ণ দোষ চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না সে তো শিশু সে তো সবটাই জানবে না আপনি বাবা-মা যা জানে শিশু দুনিয়াটা সেভাবে জানে না চেনে না কাজেই সে কোন ভুল করলে বা ভুল সিদ্ধান্ত নিলে বা ভুল চিন্তা করলে তাকে সম্পূর্ণরূপে তো স্মারক না করে সকল বিষয় ধাপে ধাপে বোঝাতে হবে
শিশুদের একটু বাড়তি নজর দিতে হবে শিশু বয়সে তারা বিভিন্ন দিকে ছোটাছুটি করবে সেই সময় তাদের দিকে খুব মনোযোগী হতে হবে এবং তাদের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ কার্যক্রম কে গ্রুপের সাথে বিবেচনা করতে হবে তারা সামান্য কোথাও হোঁচট খেলে বা আছাড় ফেলে খেলে অতি আবেগী হয়ে তাদের জড়িয়ে না ধরে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর অভ্যাসটা শিখাতে হবে তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে যেমন বিদ্যুৎ চমকানো কারেন্ট এ সকল বিষয় থেকে তাদের অবশ্যই সতর্ক এবং তাদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে
শিশুরা যখন কোন কথা বলবে তখন তা বাবা-মায়ের উচিত আগে নিজে সম্পূর্ণ কথা মনোযোগ দিয়ে ভালোভাবে সোনা এবং বিশ্লেষণ করা তারপরে তাদের কথা যখন শোনা যাবে তখন দেখবেন আসলে তারা বিরক্ত নয় নিজেরাই নিজেদের সমস্যা নিয়ে ভাবছে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে এভাবে তার মানসিক বিকাশ বাড়াতে পারে বড়দের থেকে যখন সে এই সকল ব্যাপারে উৎসাহ পাবে সে নিজেকে নিয়ে ভাববে অনেক দূরে যাওয়ার চিন্তা করবে
শিশুদের খেলাধুলার অত্যন্ত প্রয়োজন কিছু নিয়ম তান্ত্রিক খেলা শিশুদের জন্য একদম অনস্বীকার্য কিন্তু এর বাইরে ও তাদের নিজের ইচ্ছামতো খেলতে দিতে হবে সেজন্য তাদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত এটা তাদের আত্মসম্মান আত্মবিশ্বাস বাড়বে
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিশুদের যে কোন বিষয়ে আদেশ-নিষেধ করার চেয়ে নিজের বাবা-মা সেই সকল কার্যকলাপ করে তাদের দেখালে তারা সেটার দিকে বেশি মনোযোগী হয়
এতক্ষণ আমরা যা আলোচনা করলাম তা অতি সহজ কোন বিষয় না সন্তানের এবং পিতা-মাতার উভয়ের একটি অর্জন করতে হবে যা একদিনে হবে না।
এই সকল কিছু জানা অতি জরুরি এবং এটার পাশাপাশি যদি আপনি বিভিন্ন রোগের সম্পর্কে জানতে পারেন তাহলে আরো ভালো হবে। আপনি চাইলে ব্লাড ক্যান্সার এর লক্ষণ জেনে আপনি সতর্ক থাকতে পারেন।



